আপনি কি দীর্গদিন যাবত অনিদ্রা সমস্যায় ভুগছেন?

আপনি কি দীর্গদিন যাবত অনিদ্রা সমস্যায় ভুগছেন?

আপনি কি রাতে ঘুম আসতে দেরী হওয়ায় আপনার মোবাইলে চ্যাট করেন বা সিনেমা দেখেন? ঘুম যদি আসেও তবে তা কি গভীর হয় না? আর এই দুটোই অনিদ্রা বা ইনসমনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এমন অনেক লোক আছে যারা এলার্জির কারণে ঘুমাতে পারে না, অথবা মাঝরাতে শ্বাস নিতে সমস্যা হয় এবং মাঝরাতে বুক ধড়ফড় করে ঘুম ভেঙে যায়৷। তাই অনিদ্রা এর সমস্যাকে কখনোই হালকাভাবে নেবেন না, চিকিৎসককে দেখান এবং নিশ্চিত হউন এটা অন্য কোনও রোগের লক্ষণ কিনা। মনে রাখবেন, ঠিকমতো ঘুম না হলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অনিদ্রা হলে কি করনীয়?

রাতে ঘুম আসছেনা বলে কখনোই ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনে বসবেন না, এতে ঘুমের সমস্যা আরও বেশি হবে। বরং আপনি বই পড়তে পারেন, মৃদু কণ্ঠে গান শুনতে সমস্যা নেই তবে গ্যাজেট থেকে দূরে থাকুন। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে বিভিন্ন ধরনের আলো থেকে নিজেকে দুরে রাখুন।

বিছানায় যাওয়ার জন্য একটি সময় নির্ধারণ করুন, এবং প্রতিদিন সেই সময় মেনে চলার চেষ্টা করুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেসব লোকেরা প্রতিদিন তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যায় এবং ভোরবেলা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠে তারা সাধারণত ঘুমের সমস্যায় ভোগে না। মাঝে মাঝে প্রতিদিনের রুটিনের এদিক-ওদিক হতে পারে, কিন্তু নিয়ম ভাঙা অভ্যাসে পরিণত করা কঠিন।

ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খান। এবং রাতে ভারী কিছু না খাওয়াই ভালো, বিশেষ করে যাদের অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা আছে, তারা হালকা খাবার খান।

রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করতে পারেন এতে সাধারণত ভালো ঘুম হয়। আপনি এই সময়ে ল্যাভেন্ডার বডি ওয়াশ বা পারফিউমও ব্যবহার করতে পারেন, অনেকেই বিশ্বাস করেন যে ল্যাভেন্ডারের ঘ্রাণ রাতে ভালো ঘুম নিশ্চিত করে।

যেগুলো করবেন না-

* ধূমপান করা থেকে দূরে থাকুন। ধূমপান করলে ঘুম আসতে দেরি হয়।

* দিনেরভেলা ঘুমানোর অভ্যাস করবেন না। এতে রাতেরভেলা ঘুমাতে দেরি হবে।

* অতিরিক্ত পরিমাণে কখনোই ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। এতে ঘুমের সমস্যা বাড়তে থাকবে।

রেফারেন্সঃ

femina.in

পরবর্তী পোস্ট পূর্ববর্তী পোস্ট
মন্তব্য নেই
মন্তব্য যোগ করুন
comment url