৭ টি পানীয় পানের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এর কোনো বিকল্প নেই কেনো?

৭ টি পানীয় পানের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এর কোনো বিকল্প নেই কেনো?

আধুনিক জীবনে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা খুবই সাধারণ হয়ে উঠেছে। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের সমস্যার অন্যতম কারণ হল অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাস। আর এই উচ্চ রক্তচাপের কারণেই হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা থাকে। তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা খুবই জরুরি।

তবে, কয়েকটি পানীয় পান করলে সহজেই আপনার রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণ করা যায়। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে আপনি কোন কোন পানীয় খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

৭ টি পানীয় পানের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ?

আপেল সিডার ভিনেগার

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ আপেল সিডার ভিনেগার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খুবই কার্যকরী। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম এবং টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। তাছাড়া রেনিন এনজাইমের উপস্থিতিও রক্তচাপ কমাতে খুবই সহায়ক। সকালে এক গ্লাস পানিতে আপেল সিডার ভিনেগার ও মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

লেবুর শরবত

আমরা অনেকেই জানি যে, লেবু পানি শরীরের জন্য কতটা উপকারী। এটি কোষগুলো পরিষ্কার করে। লেবু পানি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি রক্তনালীকে নরম ও কোমল করে তোলে। এর ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাছাড়া লেবুর পানিতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ থাকায় এটি শরীর থেকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল দূর করতেও সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে লেবু মিশিয়ে পান করুন, এতে রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

মেথির পানি

মেথির পানিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে খুবই সহায়ক। ভালো ফল পেতে প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পরদিন সকালে পানি ছেঁকে খালি পেটে পান করুন। এতে আপনি ফল হাতেনাতে পাবেন!

লাউয়ের রস

লাউয়ের রস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণেও এটি খুবই সহায়ক। লাউয়ের রসে ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, আয়রন, ফোলেট, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। তাই লাউ ব্লেন্ড করে নিন তারপর রস ছেঁকে নিয়ে পান করুন।

টমেটো রস

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ টমেটোর রসও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন এক গ্লাস টমেটোর রস পান করা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তাছাড়া টমেটোর রসও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট সাহায্য করে।

বিটের রস

ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ বিটের রস রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে কাঁচা বিটের রস অনেক বেশি কার্যকর। নাইট্রেটস সমৃদ্ধ বিট তাদের রক্তচাপ-হ্রাসকারী প্রভাবের জন্য পরিচিত।

বেদানার রস

বেদানা হল ফোলেট এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। বেদানায় প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বেদনার রস হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বেদনের রস সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক উভয় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত সহায়ক।

রেফারেন্সঃ

somoynews.tv

Next Post
No Comment
Add Comment
comment url